Pages

Pages - Menu

কম বয়সে বিয়ে করার কয়েকটি সুফল



বিয়ে জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিয়ে করে সংসার গঠনের মধ্যদিয়ে মানুষ তার নতুন জীবন শুরু করার সুযোগ পায়। অনেকেই মনে করেন বিয়ের সাথে অর্থনৈতিক বিষয় জড়িত তাই অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে করা উচিৎ নয়। কিন্তু দ্রুত বিয়ে করে ফেলা বুদ্ধিমানের কাজ। সকলকে একটু কম বয়স থাকতে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত। এতে আপনার কাছে জীবনটা অনেক বেশিই সহজ মনে হবে এবং অনেক ধরণের সমস্যা থেকে অনায়াসেই মক্তি পেতে পারেন। তাহলে আসুন জেনে নেয়া যাক কম বয়সে বিয়ে করার সুফল কি।

১. সন্তানের জন্য খুব ভালো মাতা-পিতার উদাহরণ হতে পারবেন যদি বিয়ে আগে করে ফেলেন। আপনি দেরিতে বিয়ে করলে সন্তান মানুষ করার বিষয়টিও পিছিয়ে যাবে। আর আপনার মানিসকতাও কিন্তু দিনকে দিন নষ্ট হতে থাকবে।

২. বেশি বয়সে বিয়ে করলে স্বামী-স্ত্রী নিজেদের জন্য কতটা সময় পান? বছর ঘুরতে না ঘুরতেই সন্তানের দায়িত্ব এসে পড়ে। আর সন্তান হয়ে গেলে দু'জনের একান্ত সময় কাটানো খুব বেশি হয়ে ওঠে না। কিন্তু অল্প বয়সে বিয়ে করলে সঙ্গীর সাথে অনেকটা সময় পাওয়া যায়। এতে সম্পর্ক অনেক ভালো ও মধুর থাকে।

৩.একজনের চেয়ে দু'জন ভালো' -বিষয়টি নিশ্চয়ই না বোঝার কথা নয়। একাই সুখ-দুঃখ ভোগ করার চেয়ে দু'জনে ভাগাভাগি করে নিলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। অল্প বয়সে বিয়ে করলে জীবনের সবকিছু ভাগ করে নেয়া যায়। ফলে মানসিক চাপটাও কম পড়ে।

৪. আপনি যদি ৩০ পার করে বিয়ে করেন, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই আপনার বয়সের কারণে আপনার মধ্যে যে গাম্ভীর্য চলে আসবে তার জন্য সম্পর্ক খুব বেশি মধুর ও ঘনিষ্ঠ হবে না। ব্যাপারটি বরং এমন হবে যে, বিয়ে করা উচিত তাই বিয়ে করেছি। এ কারণে আগেই বিয়ে করা ভালো। যখন আবেগ কাজ করে অনেক।

৫. আগে বিয়ে করলে আপনার কাছে এসে কেউ ‘কেন বিয়ে করছ না’, ‘কবে বিয়ে করবে’, ‘বয়স বেড়ে যাচ্ছে’, ‘কাউকে পছন্দ কর কি’ ইত্যাদি বিরক্তিকর কথা শোনার হাত থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন।

৬. দুর্ভাগ্যবশত অনেকেই বিয়ের ক্ষেত্রে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। তাই এখন ডিভোর্সের সংখ্যাও বাড়ছে। জলদি বিয়ে করার কিন্তু এই দিক থেকেও সুবিধা রয়েছে। যদি অল্প বয়সে বিয়ে করার পর, আল্লাহ না করুন কোনো কারণে যদি সম্পর্ক ভেঙেও যায়, তারপরও জীবনটাকে নতুন করে গুছিয়ে নেয়ার দ্বিতীয় সুযোগ পাওয়া যায়।

প্রকাশিতঃ ৬ই জুন,২০১৬ l জীবনযাপন